কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক বার্তা প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।। সম্মানিত ভিজিটর যেকোন প্রকারের যোগাযোগের জন্য অনুগ্রহ করে "Contact Menu" অথবা "Facebook Chat" বাটন ব্যবহার করুন।।

কারোর অনুমতি ছাড়া তার ঘরে উঁকি মারা 

কারোর অনুমতি ছাড়া তার ঘরে উঁকি মারা কবীরা গুনাহ্ ও হারাম।

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

مَنِ اطَّلَعَ فِيْ بَيْتِ قَوْمٍ بِغَيْرِ إِذْنِهِمْ فَقَدْ حَلَّ لَهُمْ أَنْ يَّفْقَؤُوْا عَيْنَهُ.

‘‘যে ব্যক্তি কারোর ঘরে উঁকি মারলো তাদের অনুমতি ছাড়া তার চোখটি গুঁটিয়ে দেয়া হালাল’’। (মুসলিম ২১৫৮)

সাহ্ল বিন্ সা’দ্ সা’য়িদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরোজার ফাঁক দিয়ে তাঁর ঘরে উঁকি মারছিলো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে ছিলো একটি শলা যা দিয়ে তিনি নিজ মাথা খানি চুলকাচ্ছিলেন। যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উঁকি মারার ব্যাপারটা টের পেয়ে গেলেন তখন তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন:

لَوْ أَعْلَمُ أَنَّكَ تَنْظُرُنِيْ لَطَعَنْتُ بِهِ فِيْ عَيْنِكَ، إِنَّمَا جُعِلَ الْإِذْنُ مِنْ أَجْلِ الْبَصَرِ.

‘‘যদি আমি ইতিপূর্বে জানতে পারতাম, তুমি আমাকে দরোজার ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে দেখছো তা হলে আমি এ শলা দিয়ে তোমার চোখে আঘাত করতাম। আরে কারোর ঘরে ঢুকার পূর্বে তার অনুমতি নেয়ার ব্যাপারটি তো শরীয়তে রাখা হয়েছে একমাত্র অনাকাঙ্ক্ষিত কোন জায়গায় কারোর চোখ পড়বে বলেই তো’’। (মুসলিম ২১৫৬)

বর্তমান যুগে মানুষের ঘর-বাড়িগুলো একটার সাথে অন্যটা লাগোয়া এবং ঘরের দরোজা-জানালাগুলো পরস্পর মুখোমুখী হওয়ার দরুন একের পক্ষে অন্যের ঘরে উঁকি দেয়া খুবই সহজ। অতএব এ পরিস্থিতিতে আল্লাহ্ তা‘আলার ভয় প্রত্যেকের অন্তরে জাগিয়ে তুলতে হবে। তা হলেই এ গুনাহ্ থেকে সকলের বেঁচে থাকা সম্ভব হবে। অন্যথায় নয়। উপরন্তু এতে করে অন্য মুসলিম ভাইয়ের সম্মানহানি এবং প্রতি..বেশীর অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়।

গ্রন্থঃ হারাম ও কবিরা গুনাহ
অধ্যায়ঃ হারাম ও কবীরা গুনাহ্ পরিচিতি

Share This Post
error:

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow